আমাদের দেশে বর্তমানে অ্যাপ ভিত্তিক সার্ভিস সকলের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তারই ফলশ্রুতিতে রাইড শেয়ারিং এর সাথে মিল রেখে দেশের পরিবহন ব্যবস্থাও হয়েছে ডিজিটাল। পণ্য পরিবহনে বিদ্যমান নানান রকমের সমস্যার সমাধানে ও প্রয়োজন মেটাতে ট্রাক ভাড়ার মতো জটিল প্রক্রিয়াও এখন করা যাচ্ছে অ্যাপের মাধ্যমে। “জিম ডিজিটাল ট্রাক” তেমনি একটি ট্রাক ভাড়ার অ্যাপ যা বর্তমান বাজারে কাজ করছে।   

পণ্য পরিবহনের জন্য প্রায় সময়ই আমাদের প্রয়োজন হয় নানা ধরণের ট্রাক। কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিভিন্ন ট্রাক স্ট্যান্ডে ঘুরেও হাতের নাগালে ন্যায্য ভাড়ায় ট্রাক পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। আর ট্রাক ভাড়া পেলেও, পণ্য ট্রাকে তুলে দিলেই কি আপনি হাফ ছেড়ে বেঁচে যাবেন? উল্টো নতুন এক চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাবে, ট্রাকচালক পণ্য ঠিকঠাক পৌঁছে দেবে তো? 

একবার চিন্তা করুন একজন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার কিংবা লজিস্টিকস ম্যানেজারের জন্য এই বিষয়টি কতখানি পীড়াদায়ক হয়ে দাঁড়ায়!  

এই কঠিন ও জট পাকানো সমস্যার সহজ সমাধান “জিম ডিজিটাল ট্রাক”। জিম অ্যাপের কার্যপদ্ধতি খুব সহজ ও সাবলীল। রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সাথে এর কার্যপদ্ধতি মিল থাকায় যে কেউ খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবে। আর তাই, জিম অ্যাপের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর আগেই তা সকলের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।  

জিম ডিজিটাল ট্রাক | পণ্য পরিবহনে প্রযুক্তি | ২০১৯ এর শেষ কোয়ার্টার

জিম কর্পোরেট প্রয়োজনে, একটি ড্যাশবোর্ডের সাহায্যে সকল ট্রিপ একসাথে মনিটর করার পাশাপাশি দিচ্ছে ট্রিপ শেষে ডিজিটাল চালানের সুবিধা। এছাড়াও জিমে আছে ২৪/৭ কল সেন্টার সুবিধা। ফলে আপনার লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট হবে মোবাইলেই। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই আপনি এখন ট্রাক ভাড়া করা থেকে শুরু করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। অন্যদিকে ট্রাক মালিকও ট্রিপ ধরতে পারবে অ্যাপের সাহায্যেই। ট্রাক মালিক ও সেবাগ্রহীতা, দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যেই সংযোগ স্থাপন করেছে জিম।   

এক নজরে জিমের কার্যপদ্ধতি দেখে নিনঃ 

তাই নিরাপদে, নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে পণ্য পরিবহনের জন্য সেরা সমাধান জিম ডিজিটাল ট্রাক!  

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।