আলম সাহেবের একটি কাভার্ড ট্রাক আছে। যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম পোর্টে বেশিরভাগ সময় তার ট্রাক যাওয়াআসা করে। তবে প্রায় সময়ই ফিরতি ট্রিপ পান না তিনি। ফলে লাভের একটা অংশ চলে যায় খরচ সমন্বয় করতে। 

অন্যদিকে জলিল সাহেবের খোলা ট্রাক ও টিপার ট্রাক মিলিয়ে ১৫টি গাড়ি আছে। তার ট্রাক বগুড়া, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনাসহ বেশকয়েকটি রুটে চলাচল করে। তিনিও ফিরতি ট্রিপ বেশিরভাগ সময় পান না। ট্রাক খালিই ফেরত আসে, ফলে লাভের বড় একটা অংশ চলে যায় মূল খরচ সমন্বয় করতে। 

উপরের দু’টো ঘটনাই আমাদের দেশের ট্রাক মালিকদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব চিত্র। পরিবহন ব্যবসায় ক্ষুদ্র থেকে বড় ব্যবসায়ী সকলেই ফিরতি ট্রিপ পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েন। এছাড়াও ফিরতি ট্রিপ পেতে অনেকেই মধ্যস্বত্বভোগীর সাহায্য নিয়ে থাকেন। ফলে জটিলটা কমার বদলে আরও বেড়ে যায়। 

এই ফিরতি ট্রিপ সমস্যা সমাধানে বর্তমানে আমাদের দেশে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম একটি সফল মাধ্যম। দেশে বর্তমানে ট্রাক ভাড়ার যে কয়টি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে তার মধ্যে জিম ডিজিটাল ট্রাক অন্যতম। সমগ্র দেশব্যাপী জিম প্রায় ২০০ টি রুটে পণ্য পরিবহন পরিচালনা করছে। জিমে আছে ৩০০০ এর অধিক রেজিস্টার্ড কাস্টমার যার মধ্যে অনেকেই কর্পোরেট প্রয়োজনে সার্ভিস নিয়ে থাকেন। এছাড়াও জিমের প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত চলে, বড় বড় সরকারি ও বেসরকারি প্রজেক্টের কাজ। কোন কোন প্রজেক্টে জিম মাসব্যাপী পণ্য পরিবহন পরিচালনা করে। দেশের চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, বেনাপোল বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোতে জিমের ট্রিপ নিয়মিত পরিচালিত হয়। ফলে জিমের প্ল্যাটফর্মে থাকা ট্রাক মালিকেরা সহজেই ফিরতি ট্রিপ পেয়ে থাকেন।

জিমে আছে ২৪/৭ কল সেন্টার যেখানে একজন ট্রাক মালিক চাইলে ফোন করে ফিরতি ট্রিপের রিকোয়েস্ট রাখতে পারেন। 

এই সবকিছু সম্ভব হয়েছে, জিমের দিনের পর দিন ঐকান্তিক প্রচেষ্টর ফলে। বর্তমানে জিমে ১১০০০ হাজার এর অধিক রেজিস্টার্ড ট্রাক আছে এবং নিয়মিত আরও যোগ হচ্ছে। সেবার মান নিশ্চিত করে পণ্য পরিবহনে সেক্টরে  জিম এক অনন্য মাইলফলকে পৌঁছাতে পেরেছে।  

আপনি যদি জিমের সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং যে কোন সমস্যায় ২৪/৭ জিমের হটলাইন নম্বরে ০৯৬৭৮১১১৪৪৪ কল করুন।  

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।